অন্তরের অন্দর-রাফিয়া হাসিন

  •  
  •  
  •  
  •  

অন্তরের কথা বলে যে অন্দর সেখানেই পাওয়া যায় প্রাণের পরশ, চোখের আরাম এবং আন্তরিক নান্দনিকতা।। একজন ব্যক্তি বা একটি পরিবারের সামগ্রিক চিন্তা চেতনার প্রতিফলণ থাকে তার বাড়ির অন্দর সাজে। আমরা বলি, একটি বাড়ির অন্দর সেই বাড়িটির প্রতিটি মানুষের ধরণ এবং মানসিকতার প্রতিচ্ছবি।  তাই আমরা ভালো বাসা চাই, এমন বাড়ি, এমন বাসা, যে বাড়ি বা বাসা জুড়ে থাকবে শুধু ভালবাসার ভালো বাসাবাসি। একটি বাড়ি যেখান থেকে প্রতিটি মানুষ শুরু করে তার জীবনের পথচলা, এবং গড়ে দেয় তার ভবিষ্যৎ জীবনের ভিত্তি। সেকারণেই প্রতিটি মানুষের কাছেই তার ভালবাসার বাড়িটির গুরুত্ব অপরিসীম। আমাদের এই বিভাগে আমরা আমাদের ভালবাসার বাসাবাড়ি অথবা আমাদের অন্তরের অন্দরের সব ধরণের আলোচনাই করবো। আপনাদের কোন ধরণের পরামর্শ বা যোগাযোগের জন্য আমাদের পত্রিকার   ইমেইল এ ইমেইল করতে পারেন। বাছাইকৃত প্রশ্ন থেকে ক্রমানুসারে প্রশ্ন এবং তার উত্তর আমরা প্রকাশিত করবো এই বিভাগে।

নীড় ছোট ক্ষতি নেই, ঠিক তাই, বাড়ির জায়গা বড় না ছোট, সেই বিতর্কে না গিয়ে বাড়িটিকে সাজিয়ে তুলতে হবে একদম  নিজের মনের মত করে। প্রয়োজন, রুচি  অনুযায়ী বাড়ির প্রতিটি জায়গা বা ঘরের প্রতিটি কোন এর সঠিক ব্যাবহারই পারে একটি বাড়িকে তার সদস্যদের চাহিদা অনুযায়ী সাজিয়ে তুলতে।

অনেকসময় চোখে পরে না এমন কোন জায়গায় সামান্য আলো কিম্বা সবুজ গাছের কৌশলী ব্যাবহার কিন্তু একটি বাড়ির সজ্জায় আনতে পারে নাটকীয় পরিবর্তন। তাই অনেক দামি শো- পিস  না কিনে একটু অন্যরকম সাধারণ আলো বা বাতির, সহজলভ্য সবুজ ইনডোর প্ল্যান্ট দিয়ে চেষ্টা করতে পারেন ঘরের একঘেয়েমি ভাব কাটাতে। অনেক দামি আসবাব না কিনে, ভিন্ন ধরণের কুশন, শতরঞ্চি সাধারণ একটি ঘর কে করে দেয় অসাধারণ। ঘরের রঙ এর পরিবর্তন অথবা পরদার পরিবর্তন স্বল্প খরচে আমূল বদলে দেয় একটি বাড়ির আবহ। বাড়ির ছোটদের করা ক্রাফটস, বা সখের এমব্রয়ডারি, হঠাৎ খেয়ালে আঁকা জলরং যদি সুন্দর ফ্রেমে বাধিয়ে দেয়াল সাজানো যায়, তাহলে গম্ভির গোমড়া মুখো দেয়ালটিও ঝলমল করে হাসবে।

তাহলে দেরি না করে সবাই একটু চেষ্টা করতেই পারি আমাদের অন্তরের অন্দরমহলকে অন্তরমহল এ পরিবর্তন করতে।  হ্যাপি ইনটেরিওর স্টাইলিং।

লেখক
রাফিয়া হাসিন
ইন্টিরিওর ডিজাইনার
মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া।