আগাম জানাজায় অসহায় মাতৃভূমি । অজয় দাশগুপ্ত

  •  
  •  
  •  
  •  

বাংলাদেশ আবারো একটি নেগেটিভ ঘটনার জন্য বিশ্বমিডিয়ায় খবর হবে এসেছে।  সকলেই জানেন আমাদের দেশের এক শ্রেণীর মানুষ কথা শুনতে নারাজ। আমি বলবো মূলত দু ধরণের মানুষ। এক, যারা ধর্মান্ধ আর উন্মাদ। অন্যদলে আছে বিত্তবান নামে পরিচিত লুটেরা শ্রেণী। এ দুই দলের কান্ডকীর্তি মহামারী করোনাও ঠেকাতে পারছে না। যারা চাল চুরি করছে তেল মজুদ করছে মানুষকে ত্রাণ বিতরণের নামে খাবার  দিয়ে ফটো সেশনের পর আবার ফিরিয়ে নিচ্ছে তারা যেমন থামেনি তেমন থামেনি অন্ধের দলও। এদের বিরুদ্ধে কিছু বলাও মুশকিল। পারলে গর্দান নিয়ে নেয় নয়তো কচুকাটা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া আবার এসেছে শিরোনামে ।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে এক ইসলামী দলের নেতার জানাজায় বিপুল সংখ্যায় মানুষের উপস্থিতি ঠেকাতে ব্যর্থতার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ওসি শাহাদাৎ হোসেন টিটুকে ওই এলাকার দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে। শনিবার সকালে ওই জানাজায় বিপুল মানুষের গা ঘেঁষাঘেষি করে অংশগ্রহণ দেখে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে রাতে পুলিশ সদর দপ্তর থেকে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জানাজায় লোক সমাগমের বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে না পারায় ওসি সরাইলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।ওসি মো. শাহাদাৎ জনসমাগমের পর বলেছিলেন, “আমরা চিন্তাও করতে পারিনি যে এত লোক হবে। লোকজন আসতে শুরু করার পর আমাদের আর কিছু করার ছিল না।” সরাইলের ইউএনও আবু সালেহ মো. মুসা বলেছিলেন, উপজেলা প্রশাসন থেকে এই জানাজার অনুমতি দেওয়া হয়নি। পুলিশকে জানালেও তারা কিছু করতে পারেনি।বাংলাদেশে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ার পর এর বিস্তার ঠেকাতে দেশজুড়ে যে অবরুদ্ধ অবস্থা তৈরি করা হয়েছে, তাতে যে কোনো জনসমাগম এখন নিষিদ্ধ।

বুঝুন এবার। আপনারা সব মেনে নিয়ে পেটে পাথর বেঁধে চোখে ঠুলি লাগিয়ে মুখে মাস্ক পরে একটু পর সাবান পানিতে হাত ধুলেই কি বিপদমুক্ত থাকবেন? নিম্ম মধ্যবিত্ত আর গরীব মানুষদের পুলিশ কিন্তু ছাড়ে না। দু একটা ছবি ও ভিডিওতে তাদের মার লাগানোর চিত্র ও দেখেছি। জনস্বার্থে মানুষের জীবনের জন্য সবাই তা মেনে নিয়ে বাহবা দিতেও কসুর করে নি। কিন্তু এখানে দেখুন পুলিশ নিজেই বলছে তারা ছিলেন অপারগ। খবরটার শেষ অংশে লেখা আছে দেশে এখন জনসমাগম নিষিদ্ধ। তার মানে নিষিদ্ধ বিষয়ও হার মেনে গেছে উন্মাদনার কাছে। আমরা যারা সরকারকে নানা ভাবে সমর্থন করে লিখি বিশেষত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আস্হাশীল আজ আমাদের মুখে চুনকালি মেখে দিয়েছে এই ঘটনা। এখানে এটা স্পষ্ট এবং স্বীকারও করা হয়েছে এই মব বা জনস্রোত ঠেকানো যেতো না। কেউ একজন সামাজিক মিডিয়ায় ঠাট্টা করে লিখলেও সে কথাটা সত্যি। তিনি লিখেছেন এরা সবাই যদি লাঠি নিয়ে তেড়ে আসতো পুলিশ কোন ভাবেই তাদের সাথে পেরে উঠতো না। এই কথা সত্য। এবং এরা যে তেড়ে আসতো তাও কিন্তু চরম সত্য।

লকডাউনের ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হুজুরের জানাযায় লক্ষ মানুষের জমায়েত। ছবি: আল জাজিরা।

দু ধরণের মনস্তত্ব এর পেছনে আছে বলে মনে হয়। এক, এদের বিশ্বাস এমন যে তারা মরলেও সে মরণ হবে বীরের। সাথে আছে পরকালে প্রাপ্তির হিসেব নিকেশ। আমার মনে আছে ইন্দোনেশিয়ার এক উন্মাদকে টিভিতে বলতে শুনেছি এ জীবনের চাইতে তার কাছে আরেক জীবনে যা যা পাবার তা অনেক বেশী দরকারী। আর এ জীবনে তার ফেলে যাওয়া বৌ সন্তানদের দায় দায়িত্ব নেবে অন্য কোন সাথী। এদের আপনি ঠেকাবেন কি করে? এদের কাছে যে আইন বিচার শাস্তি কিছুই না তারা যে অটল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তার একটা মহড়া দেখলাম আমরা। দ্বিতীয় কারণ হিসেবে আমার মনে হয় সরকার বা নিয়ম যা বলে তা না মানার প্রতি একটা ঝোঁক আমাদের রক্তেই আছে। এরশাদ আমলে যখন কার্ফু দিয়ে পুলিশ মিলিটারী টহল দিয়ে বেড়াতো তখন এই আমরাই যারা লেখাপড়া জানা ভদ্রলোক গলিতে গলিতে ঘুরে বেড়াতাম। আইনী বাহিনীকে রাগানোর জন্য ঢিল পাটকেল ছোঁড়াও ছিলো আনন্দ বিনোদনের ব্যাপার। মূলত সামরিক শাসন তারপর ছদ্মবেসী উগ্র ও  একনায়কের শাসনকালগুলি আমাদের চরিত্র পাল্টে দিয়েছে। ভীতু বাঙালি কথাটা এখন সত্য না । বরং নীরদ সি চৌধুরীর লেখার মতো আত্মঘাতী বাঙালি কথাটাই মানানসই। তাই মনে করি নির্দেশ বা আদেশ না মানার সাইকোলজিও কাজ করে থাকতে পারে। হয়তো নর্মাল সময় হলে এতো ভীড় নাও হতে পারতো।

কারণ যাই  হোক বারোটা বেজে গেছে। মিরাকেল বা অতি অলৌকিক কিছু না ঘটলে বাংলাদেশ মহামারীর ছোবল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে বলে মনে হয় না। আগে ও লিখেছি দেশের সামনে নানা দুর্যোগ। আমেরিকা ইউরোপ হেরে গেছে বলে যারা বগল বাজাচ্ছে এমন কি দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের কথায় ও যে শ্লেষ যে টিটকারি তাতে এটা স্পষ্ট কেউ বিষয়টা বুঝছেন না আর কেউ কেউ বূজেও স্বভাবদোষে বকে চলেছেন। আশ্চর্যের বিষয় এই এরা ভালো জানেন যে দুই ভিত্তির ওপর অর্থনীতি সচল আর তাঁরা বলবান সে দুটোর একটি রেমিটেন্স চীন থেকে আসে না। আসে মধ্যপ্রাচ্য ইউরোপ আমেরিকা থেকে। অর্থনীতির দ্বিতীয় চাকা যে পোশাক খাত তার ক্রেতা কারা? চীন নিজেই পোশাক শিল্প রপ্তানী করে টাকা আয় করে। এতে তারা এক নাম্বারে থাকা দেশ। এই যে বিপদ এতে চীনের পর পর থাকা বাংলাদেশ ভিয়েতনাম এরাই পড়বে পিছিয়ে। এমনিতেই ইউরোপ আমেরিকা অষ্ট্রেলিয়া বা এমন দেশগুলো এখন অর্ডার দিতে পারবে না তার মধ্যে যে টুকু দরকার সেটুকু চীনই পারবে মিটিয়ে দিতে। তাহলে আমাদের এই অকারণ উল্লাসের কারণ কি? বাস্তব বিবেচনা না করে হিংসা ছড়ানোর কারণেই আজ এই হাল। কেউ তা করে আমেরিকা ইউরোপের বিরুদ্ধে কেউ চীনের বিরুদ্ধে কেউ বা নাস্তিকতার বিরুদ্ধে। এর ভেতর দিয়ে গড়ে ওঠা অপশক্তিই আজ জানাজায় হাজির হয়ে এই জাতির আগাম জানাজার খবর দিয়েছে ।

এখন কি হবে দেশ জনতার? যারা বলতেন তাঁরা করোনার চাইতেও শক্তিশালী মানুষ মনে করেছিল হয়তো তাই। এরা পারবেন মহামারী সামাল দিতে। আজ সে সব শক্তিমানরা কোথায়?  ও সিকে সরিয়ে দিলেই কি সমসভার আগুন নিভে যাবে? করোনা কেমন রোগ বা কিসে তার প্রসার হয় সেটা এখন সবাই জানে। স্বীকার করতেই হবে প্রশাসন পারে নি। যে কোনো জনসমাগম এখন নিষিদ্ধ।
বুঝুন এবার। আপনারা সব মেনে নিয়ে পেটে পাথর বেঁধে চোখে ঠুলি লাগিয়ে মুখে মাস্ক পরে একটু পর সাবান পানিতে হাত ধুলেই কি বিপদমুক্ত থাকবেন? নিম্ম মধ্যবিত্ত আর গরীব মানুষদের পুলিশ কিন্তু ছাড়ে না। দু একটা ছবি ও ভিডিওতে তাদের মার লাগানোর চিত্র ও দেখেছি। জনস্বার্থে মানুষের জীবনের জন্য সবাই তা মেনে নিয়ে বাহবা দিতেও কসুর করে নি। কিন্তু এখানে দেখুন পুলিশ নিজেই বলছে তারা ছিলেন অপারগ। খবরটার শেষ অংশে লেখা আছে দেশে এখন জনসমাগম নিষিদ্ধ। তার মানে নিষিদ্ধ বিষয় ও হার মেনে গেছে উন্মাদনার কাছে। আমরা যারা সরকারকে নানা ভাবে সমর্থন করে লিখি বিশেষত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আস্হাশীল আজ আমাদের মুখে চুনকালি মেখে দিয়েছে এই ঘটনা। এখানে এটা স্পষ্ট এবং স্বীকার ও করা হয়েছে এই মব বা জনস্রৌত ঠেকানো যেতো না। কেউ একজন সামাজিক মিডিয়ায় ঠাটৃা করে লিখলেও সে কথাটা সত্যি । তিনি লিখেছেন এরা সবাই যদি লাঠি নিয়ে তেড়ে আসতো পুলিশ কোন ভাবেই তাদের সাথে পেরে উঠতো না। এই কথা সত্য। এবং এরা যে তেড়ে আসতো তাও কিন্তু চরম সত্য।

দু ধরণের মনস্তত্ব এর পেছনে আছে বলে মনে হয়। এক, এদের বিশ্বাস  এমন যে তারা মরলেও সে মরণ হবে বীরের। সাথে আছে পরকালে প্রাপ্তির হিসেব নিকেশ। আমার মনে আছে ইন্দোনেশিয়ার এক উন্মাদকে টিভিতে বলতে শুনেছি এ জীবনের চাইতে তার কাছে আরেক জীবনে যা যা পাবার তা অনেক বেশী দরকারী। আর এ জীবনে তার ফেলে যাওয়া বৌ সন্তানদের দায় দায়িত্ব নেবে অন্য কোন সাথী। এদের আপনি ঠেকাবেন কি করে?  এদের কাছে যে আইন বিচার শাস্তি কিছু ই না তারা যে অটল
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তার একটা মহড়া দেখলাম আমরা। দ্বিতীয় কারণ হিসেবে আমার মনে হয় সরকার বা নিয়ম যা বলে তা না মানার প্রতি একটা ঝোঁক আমাদের রক্তে ই আছে। এরশাদ আমলে যখন কার্ফু দিয়ে পুলিশ মিলিটারী টহল দিয়ে বেড়াতো তখন এই আমরাই যারা লেখাপড়া জানা ভদ্রলোক গলিতে গলিতে ঘুরে বেড়াতাম।  আইনী বাহিনীকে রাগানোর জন্য ঢিল পাটকেল ছোঁড়াও ছিলো আনন্দ বিনোদনের ব্যাপার। মূলত সামরিক শাসন তারপর ছদ্মবেসী উগ্র ও  একনায়কের শাসনকাল গুলি আমাদের চরিত্র পাল্টে দিয়েছে। ভীতু বাঙালি কথাটা এখন সত্য না । বরং নীরদ সি চৌধুরীর লেখার মতো আত্মঘাতী বাঙালি কথাটাই মানানসই। তাই মনে করি নির্দেশ বা আদেশ না মানার সাইকোলজিও কাজ করে থাকতে পারে। হয়তো নর্মাল সময় হলে এতো ভীড় নাও হতে পারতো।

কারণ যাই  হোক বারোটা বেজে গেছে। মিরাকেল বা অতি অলৌকিক কিছু না ঘটলে বাংলাদেশ মহামারীর ছোবল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে বলে মনে হয় না। আগে ও লিখেছি দেশের সামনে নানা দুর্যোগ। আমেরিকা ইউরোপ হেরে গেছে বলে যারা বগল বাজাচ্ছে এমন কি দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের কথায় ও যে শ্লেষ যে টিটকারি তাতে এটা স্পষ্ট কেউ বিষয়টা বুঝছেন না আর কেউ কেউ বূজেও স্বভাবদোষে বকে চলেছেন। আশ্চর্যের বিষয় এই এরা ভালো জানেন যে দুই ভিত্তির ওপর অর্থনীতি সচল আর তাঁরা বলবান সে দুটোর একটি রেমিটেন্স চীন থেকে আসে না। আসে মধ্যপ্রাচ্য ইউরোপ আমেরিকা থেকে। অর্থনীতির দ্বিতীয় চাকা যে পোশাক খাত তার ক্রেতা কারা? চীন নিজেই পোশাক শিল্প রপ্তানী করে টাকা আয় করে। এতে তারা এক নাম্বারে থাকা দেশ। এই যে বিপদ এতে চীনের পর পর থাকা বাংলাদেশ ভিয়েতনাম এরাই পড়বে পিছিয়ে। এমনিতেই ইউরোপ আমেরিকা অষ্ট্রেলিয়া বা এমন দেশগুলো এখন অর্ডার দিতে পারবে না তার মধ্যে যে টুকু দরকার সেটুকু চীন ই পারবে মিটিয়ে দিতে। তাহলে আমাদের এই অকারণ উল্লাসের কারণ কি? বাস্তব বিবেচনা না করে হিংসা ছড়ানোর কারণেই আজ এই হাল। কেউ তা করে আমেরিকা ইউরোপের বিরুদ্ধে কেউ চীনের বিরুদ্ধে কেউ বা নাস্তিকতার বিরুদ্ধে। এর ভেতর দিয়ে গড়ে ওঠা অপশক্তি ই আজ জানাজায় হাজির হয়ে এই জাতির আগাম জানাজার খবর দিয়েছে ।
প্রশাসন সামাল দিতে পারে নি। যারা বলতেন তাঁরা করোনার চাইতেও শক্তিশালী তাঁরা এখন কোথায়? মানুষ হয়তো ভেবেছিল এসব শক্তিমান নেতারা করোনা ঠেকিয়ে দিতে পারবেন। আজ কি সেটা আসলে সত্য মনে হচ্ছে? বরং যে ব্যর্থতার ছবি দেখলাম তাতে এখন কত মনুষ মরে আর কত বাঁচে সেটাই ভাবার বিষয়। আমেরিকা চীন জাপান বৃটেন ইতালি স্পেন থেকে শুরু করে ভারত সহ সব দেশ এখন ভয়ে আছে। জাপান বলছে তাদের  স্বাস্হ্য ব্যবসহা ধস নামার পথে। এই ঘোর বিপদে কেউ কাউকে সাহায্য করতে পারবে না। সেখানে কি ভাবে সামাল দেবে বাংলাদেশ? মুখের কথা আর আশ্বাসে কি আসলেই এই বিপদ পাড়ি দেয়া সম্ভব?

মানুন আর নাই মানুন দীর্ঘ সময় ধরে অন্ধত্বকে প্রশ্রয় দেয়া সমাজ আজ তার আসল চেহারা দেখাচ্ছে। কোন পাড়ায় এখন পাঠাগার নাই। কোথাও বিজ্ঞান চর্চা হয় না। বিজ্ঞান ক্লাব নাই। আছে শুধু মোবাইল টেপা ভিডিও দেখা আর দিনশেষে অন্ধকারে আত্মসমর্পণ। করোনার কঠিন সময়কাল চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে আমাদের শাসন সমাজ ও জাতি আছে অচলায়তনে। মহামারী কাউকে ছেড়ে কধা বলে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একজন আশাবাদী নেতা। তাঁর নির্দেশ মানতে হবে। আর না মানলে তাদের এমন কঠোর শাস্তি দিতে হবে যাতে কেউ মানুষের জান নিয়ে ছিনিমিনি খেলতা না পারে। আরবে দেশগুলো সহ পাকিস্তান তা বুঝতে  পারলে বাংলাদেশ কেন পারবে না? কোথায় দূর্বলতা সেটা সবাই জানেন। আর তা বন্ধ করতে পারলেই জনগণ থাকবে নিরাপদে।

ঘর থেকে বেরিয়ে আসা মানুষদের ঘরে ফেরান। দেশ বাঁচান মানুষ বাঁচান। নয়তো কান্না শোনারও কেউ থাকবে না।

অজয় দাশগুপ্ত
লেখক ও কলামিস্ট
সিডনি, অস্ট্রেলিয়া।

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments