আপনার স্বাস্থ্য আপনার হাতে ( তৃতীয় পর্ব) ।পিয়ারা বেগম

  •  
  •  
  •  
  •  

স্রষ্টার অশেষ রহমতের দান এ সুন্দর পৃথিবীতে জন্মগ্রহণের সোনাঝরা মাহেন্দ্রক্ষণে মহাবিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান যে সম্পদটি নিয়ে আমরা পৃথিবীতে এসেছি তা হচ্ছে আমাদের শরীর বা দেহ। যা স্রষ্টার এক অনবদ্য সৃষ্টি এবং শ্রেষ্ঠ নেয়ামতও বটে। সুতরাং আমাদের দেহ সুরক্ষায় আহারের পর আসে ব্যায়াম বা শরীর চর্চার প্রয়োজনীয়তা। প্রবাদ আছে গতিশীলতাই সুখ, তাতেই সুস্বাস্থ্য। গ্রিক দার্শনিক এরিস্টটল বলেছেন, Happiness is state of activity.

মুলত আমাদের দেহ কিন্তু চলার জন্য। পরিশ্রমের জন্য, বসে আরাম করার জন্য নয়। প্রবাদ আছে, “যত আরাম ততো ব্যারাম।” মূলত শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা রোগঝুঁকি বাড়ায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মোট মৃত্যুর চতুর্থ কারণ হলো এই শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা। এই শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা সৃষ্টি করছে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, স্ট্রোক,স্থূলতা, হাড়ক্ষয়, স্মৃতিভ্রষ্টতা ও ক্যান্সার। আরাম-আয়েশ শেষমেশ ভোগবিলাসের খায়েস মিটায় চরম রোগ ভোগান্তিতে।

শরীর ঠিক রাখার জন্য ব্যায়ামের বিকল্প নেই।

তাই বলছি, যতই নড়াচড়া করবেন ততোই আপনার শরীর আপনার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। আর যত বসে থাকবেন, ততোই আপনি শরীরের নিয়ন্ত্রণে চলে যাবেন। তাছাড়া নিয়মিত ব্যায়াম করা হলে শরীরকে সচল ও কর্মক্ষম রাখা যায়।
প্রযুক্তির ক্রমউৎকর্ষতার ফলে আমাদের জীবন হয়ে ওঠেছে শারীরিকভাবে পরিশ্রমহীন। তার জন্য প্রয়োজন নিয়মিত ব্যায়ামের। ব্যায়ামের মধ্যে যোগ ব্যায়াম বা কোয়ান্টাম ব্যায়াম সবচেয়ে ভালো ব্যায়াম। এটি সবচেয়ে কার্যকর এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াবিহীন এবং সহজে নিজেকে যথাযথ ফিট রাখা যায়। যোগ ব্যায়ামের গুরুত্ব অনুধাবন করেই ২১ জুনকে বিশ্ব যোগ দিবস হিসাবে ঘোষণা করেছে জাতিসংঘ। তবে এ ধরনের ব্যায়াম বই দেখে চর্চা করাই উচিত। নিয়মিত ব্যায়ামে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সুসংহত হয়ে ওঠে। ব্যায়াম রোগ নিরাময়েরও একটি মাধ্যম। যেমনঃ ফোজেন শ্লোল্ডার,ব্যাকপেইন, আর্থারাইটিস
তাছাড়া হরমোনের সমস্যাতেও ব্যায়ামের ভূমিকা অনেক। ব্যায়ামের উপকারিতা অগণন। অতএব ব্যায়াম হোক আমাদের প্রতিদিনের অভ্যাস।

ব্যায়ামের মধ্যে হাঁটা একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। এ বিষয়ে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিস আড়াই হাজার বছর আগে এ কথাটি বলেছেন, “Walking is the best medicine. অবশ্য বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্য -গবেষকদের মতামত তা-ই দিচ্ছে। হাঁটার ফলে    ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়ে। এতে বেড়ে যায় দেহের অক্সিজেন গ্রহণ করার ক্ষমতা। আর বিষণ্ণতাও দূর করে। ফলে দেহ-মন দুটোই থাকে প্রাণবন্ত ও সতেজ সারাক্ষণ। যুক্তরাজ্যের এডিনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্বাস্থ্য বিষয়ক কার্যক্রমের মূল শ্লোগান হলো “Sit less walk more.”  হাঁটার ফলে হাড়ক্ষয় বা অস্টিওপোরোসিস-এর ঝুঁকি কমে। আর নিয়মিত হাঁটার ফলে মস্তিষ্কের রক্তনালী ও নিউরোনগুলোতে রক্তপ্রবাহ বাড়ে। এতে মস্তিষ্ক হয়ে ওঠে অধিকতর সচল ও কর্মক্ষম।
এ ছাড়াও নিয়মিত হাঁটার ফলে ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হয়ে ওঠে আরো সুসংহত ও কার্যকরী।  আর উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে হাঁটার কোন বিকল্প নেই। কারণ, হাঁটার ফলে এসব রোগ থেকে সৃষ্ট নানান জটিলতা এড়ানো অনেকাংশে সম্ভব। নিয়মিত  হাঁটার ফলে ক্যন্সার-ঝুকি কমে। বিশেষ করে কোলন ক্যান্সার ও মহিলাদের স্তন ক্যান্সার। সময় থাকতে সচেতন হওয়া মানেই কিন্তু প্রতিরোধ। আর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা সবচেয়ে বড় প্রতিরোধ। তাই  প্রতিরোধের অংশ হিসাবে করোনায় আমরা ঘরে থেকে অন্তত ৩০ মিনিট যোগ ব্যায়াম বা কোয়ান্টাম ব্যায়াম করতে পারি। কিংবা বারান্দা বা কক্ষেও হাঁটাহাঁটি করা যায়। আসলে ইচ্ছাটাই মূলত আসল শক্তি। তাই ইচ্ছাশক্তির জাগরণ ঘটিয়ে চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। অতএব, ব্যায়াম করুন এবং নিজের শরীরটাকে রোগমুক্ত রাখতে উদ্যোগী হোন। মোটকথা সময় এবং সুযোগ পেলে অল্প দূরত্বে রিক্সা বা অটোতে না গিয়ে হেঁটে যান।  বিজ্ঞানীদের মতে, হাঁটা সত্যই জীবনের জন্য অত্যন্ত সুখকর এবং আরামদায়ক। কেননা হাঁটার সাথে রাতের সুখনিদ্রার সম্পর্কটাও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
তাই তো, চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা প্রায় এক যুগ আগে, ২০০২ সাল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ছিলো Move for health. এর গুরুত্ব বিবেচনা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা পরের বছর অর্থাৎ ২০০৩ সাল থেকেই এ আহ্বানটি নিয়ে বিশ্বজুড়ে একটি দিবস পালন করেছে– Move for health day. ( ১০ মে)। সুতরাং জীবনে সক্রিয়তা আর গতিশীলতা বাড়ান, যতটা সম্ভব। আপনি সুস্থ থাকবেন।

হজমঃ খাবার গ্রহণের সাথে হজমের সম্পর্কটা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। যা খাই তা হজম হওয়া প্রয়োজন। খাবার হজম না হলে খেয়ে লাভ কী? প্রবাদ আছে, “বাঙালিরা ভোজনপটু এবং রসনাবিলাসী। তবে অনেকেই আবার পেটরোগাও! কারণ, অধিকাংশ মানুষই আমরা রসনাকে সংযত করতে পারি না বিধায় হজমজনিত সমস্যায় ভুগি। ভালো স্বাস্থ্যের জন্য বিশোধিত রক্তের প্রয়োজন। আমরা যে সব খাদ্য বা পানীয় গ্রহণ করি তা ঠিকমতো হজম হলে তার থেকেই বিশুদ্ধ রক্ত তৈরি হয়। সুতরাং হজম প্রণালীর প্রতি আমাদের সুদৃষ্টি রাখা অতীব জরুীর।
হজম প্রণালীর যত্ন নিতে হলে প্রথমেই মুখ থেকে শুরু করতে হবে। প্রকৃতি আমাদের চিবিয়ে খাবারের জন্য দাঁত দিয়েছেন। সমস্ত খাবার অন্তত ১০ থেকে ১২ বার চিবিয়ে খাবার অভ্যাস করা উচিত। চিবিয়ে খেলে খাদ্যের সঙ্গে মুখের লালা মিশ্রিত হয়। কেবলমাত্র  মুখের লালা দ্বারাই হজম করা সম্ভব। তাছাড়া মুখের লালা জীবাণু বিধ্বংসীও। চিবিয়ে খেলে কম খাবারে তৃপ্তি মিটে যায়। খাবারে স্বাদ আস্বাদনের তৃপ্তি পাওয়া যায়। আমরা বুঝতে পারি যে, কখন আমাদের পেট ভরে গেছে। তখনই আমরা খাবার বন্ধ করতে পারি। তাছাড়া, খাবার চিবিয়ে খেলে পাকস্থলীর উপরে চাপ কম পড়ে। এতে হজম প্রক্রিয়া এবং মলত্যাগ সহজ হয়। আসলে, আমরা যে খাবারই খাইনা কেন, কেবল যেটুকু খাবার খেলে হজম হয়, ঠিক ততোটুকুই আমাদের শক্তি দেয়। অনেক সময় শুধু স্বাদের জন্য আমরা এমন কত অনাবশ্যক জিনিস খেয়ে থাকি। এই সব খাবার থেকে কোন শক্তির সৃষ্টি হয় না। উপরন্তু, এদের হজম করতেই প্রচুর শক্তি খরচ করতে হয়। তাছাড়া এই সব অনাবশ্যক খাদ্য দেহ থেকে বের করে দিতে আরও বেশি শক্তি লাগে। ফলে অনেক সময় গ্যাস,কোষ্ঠবদ্ধতা ইত্যাদি রোগের সৃষ্টি করে। তাই, এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলাই শ্রেয়।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, যারা না চিবিয়ে তাড়াতাড়ি খান তারা স্থূলতা এবং ডায়াবেটিস রোগের শিকার হোন। তবে, ডায়াবেটিস রোগটিকে আমরা ইচ্ছে করলে আমাদের মুখের মধ্যেই পরাজিত করতে পারি। বেশি করে সময় ব্যাপিয়া চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস রপ্ত করতে হবে।  আর ডায়াবেটিসে খাবারে নিয়ন্ত্রণবিধি মেনে চলায়ও শতভাগ নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এনে আমরা স্বাভাবিক জীবন উপভোগ করতে পারব।

তাছাড়া সবার বেলায় বলছি, পেটের চারকোনা পূর্ণ করে খাওয়া ঠিক নয়। বরং আরো একটু খাওয়ার ইচ্ছে থাকতেই খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিত। তবে রসনা তৃপ্তির জন্য আপনি যে কোন খাবার মাঝেমধ্যে খেতে পারেন। কিন্তু পেট ভরে গেলে সঙ্গে সঙ্গে খাওয়া বন্ধ করা উচিত। অনেকটা রাস্তায় হলুদ-লাল সিগনালের মতো। হলুূূূদ হওয়ার সময় অর্থাৎ প্রথম ঢেকুর ওঠার সঙ্গে সঙ্গে খাবার বন্ধ করা ভালো। না পারলে অন্ততপক্ষে লাল সিগনাল হবার আগে অর্থাৎ পেট পুরোপুরি ভরে যাবার আগেই খাওয়া বন্ধ করতে হবে। সুপ্রিয় পাঠক, হলুদ সিগনাল মানে প্রথম সতর্কতা ঢেকুর। লাল সিগনাল মানে দ্বিতীয় সতর্কতা ঢেকুর। কখনো অতিরিক্ত ভূরিভোজনে পরপর তিনবার ঢেকুর হলেই খাবার বন্ধ করার জোর তাগিদ দেওয়া বুঝায়। এটা খেয়াল করলে আমরা বদহজমের ঝামেলা থেকে সুরক্ষা পাব।
হজম প্রণালী যাতে সুষ্ঠুভাবে হয় সেজন্যে আরো কিছু নিয়মাবলী জেনে নিই। আমরা অনেকেই খাওয়ার মাঝে ঢক ঢক করে পানি পান করি। তারপর আবার খাই। এই যে, খাওয়া চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ খাওয়ার মধ্যে পানি পান করার অভ্যাস এটা আসলে অস্বাস্থ্যকর। কারণ বলছি, খাবার  মুখে ঢুকলেই মুখ গহ্বরে লালা নিঃসৃত হয়। লালা খাবারের সাথে মিশার ফলে খাবারকে চিবিয়ে খেতে সুবিধা হয়। এতে খাদ্যচূর্ণ নরম ও তরল হয়। এই লালা মিশ্রিত তরলকৃত চিবানো খাদ্যচূর্ণ গলা পর্যন্ত যেতে যেতেই পেস্ট হয়ে পাকস্থলীতে যায়। পাকস্থলী থেকে কিছু এনজাইম খাদ্যচূর্ণগুলোকে ছোট ছোট করে ভেঙ্গে হজমে সহায়তা করে। ঠিক এই সময় যদি আমরা পানি পান করি, তবে ডাইল্যুটেড হয় এনজাইমগুলো। এতে এর ঘনত্ব কমে যায়। ফলে এনজাইমের কার্যকারীতা হ্রাস পায়। ফলে হজমের ব্যাঘাত ঘটে। তবে খাওয়ার  প্রায় ৩০ মিনিট পর পানি পান করা উচিত। কিন্তু বিশেষ জরুরী প্রয়োজনে পানি পান করা অন্য কথা। তাছাড়া আমাদের পাকস্থলীতে যে তাপ আছে সেটা রক্ষা করে চলতে হবে। আর সে তাপ যেন আমাদের খাদ্য হজম করতে সক্ষম হয়।
রেচনঃ জীবন ধারণের জন্য খাবার যেমন অপরিহার্য তেমনি শরীর থেকে বর্জ্য বস্তু সব সময় বের করে দেওয়াটাও তেমনি জরুরী। শারীরিক সুস্থতার এটা হচ্ছে এক  গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের প্রচুর আঁশযুক্ত শাকসবজি খাওয়া দরকার। প্রবাদ আছে, “সবজী খান কবজি ডুবিয়ে।” তবে ডায়াবেটিস রোগীদের বেলায় “খেতে বাধা নেই” অর্থাৎ সামান্য ক্যালরি,শর্করা,প্রোটিন  এবং ফ্যাটযুক্ত শাক সবজী খেতে হবে। আর পর্যাপ্ত পানিও পান করা প্রয়োজন। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য এবং কোষ্ঠবদ্ধতা দুটো থেকেই রক্ষা পাবেন। মনে রাখা জরুরী যে, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং কোষ্ঠবদ্ধতা বিভিন্ন রোগের উপসর্গ হিসাবে কখনো বিবেচিত হয়। তাই অবহেলা না করে এর প্রতিকারে আমাদের সচেতন হওয়া জরুরী। তাছাড়া, বর্জ্য পেটে জমা থাকলে এতে পেটে চর্বি বাড়ে ফলে ওজন বেড়ে যায়। কোমল পানীয়ের ভেতরে থাকা কার্বনডাইঅক্সাইডও  আমাদের ওজনকে বাড়িয়ে তুলে। তাই কোমল পানীয় এড়িয়ে চলাই উচিত। কারণ, অনেকের ধারণা, কোমল পানীয়ে খাবার ভালো হজম হয়। আসলে এটা ভুল। মূলত কোমল পানীয় হজমের পুরো প্রক্রিয়াটি ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। হজমের বদলে পাকস্থলীতে থাকা খাবার গাঁজন প্রক্রিয়ায় পচতে শুরু করে। শুনে অবাক হবেন যে, কোমল পানীয় পানের কিছুক্ষণ পর আমরা সাধারণত তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলি আর এটাকে অনেকেই ভালো হজমের লক্ষণ বলে মনে করি। তা আসলে পেটে খাবার পচনের ফলে সৃষ্ট গ্যাস!

আসলে সকাল বেলা প্রথমেই আমাদের বর্জ্য বের হওয়ার প্রতি খেয়াল রাখা জরুরী। কেননা শুরুতেই বলেছি, জীবনের জন্যে খাবার গ্রহণ করা যেমন অপরিহার্য তেমনি বর্জ্য বের করে দেওয়াটাও সমান গুরুত্ববহ। কারণ, বর্জ্যের বের হওয়ার ওপর শারীরিক ভালো লাগা, মন্দ লাগার বিষয়টা জড়িত। কেননা, নিয়মিত মলত্যাগ করার ওপরই শারীরিক সুস্থতা বহুলাংশে নির্ভর করে। চীনারা তাই সব সময় বর্জ্য বের না হওয়া পর্যন্ত খাবার গ্রহণ করে না।
স্বাস্থ্যটা যেহেতু আমার আর একে সুস্থ রাখার দায়িত্বটা আমাকেই নিতে হবে। এর জন্যে প্রাকৃতিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত হাঁটা, ব্যায়াম, হজম এবং রেচন প্রক্রিয়ার প্রতি মনোযোগী হওয়ার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। আর গুরুত্বপূর্ণ এই অভ্যাসগুলো মূলত আমাদের জীবনেরই অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ করে নেওয়াটাই উত্তম। কারণ, স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল।

পিয়ারা বেগম
কবি, কথাসাহিত্যিক ও প্রাবন্ধিক
বাংলাদেশ।

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments