আমার নির্বাচন ভাবনা-গামা আব্দুল কাদির

  •  
  •  
  •  
  •  


গামা আব্দুল কাদির

আগামীকাল ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ রোববার বাংলাদেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দিন।এই দিনে  বাংলাদেশের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন কে নিয়ে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং বহিঃবিশ্বের আন্তর্জাতিক শক্তি রাষ্ট্র গুলোর ধারনা এই নির্বাচন সুষ্ঠু, নির্ভেজাল , নিরপেক্ষ এবং সকলের জন্য গ্রহণ যোগ্য হয়ত হবেনা। কিন্তু এই  ধরনের চিন্তাভাবনা ভুল প্রমাণিত হলো বঙ্গবন্ধুর কন্যা বর্তমানের প্রধানমন্ত্রী আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ হাসিনার গত দশ বছরের পক্ষপাত্বিত হীন দেশ পরিচালনা, কঠোরহস্তে স্বজনপ্রীতি দমনের মাধ্যমে। এছাড়া সমাজের সর্বস্তরের দুর্নীতির আশ্রয় থেক দেশের জনগনকে রক্ষা এবং  সন্ত্রাসবাদ কার্যকলাপের শিকর সমূলে নির্মূল করে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ডিজিটাল  বাংলাদেশ গঠনের মাধ্যমে উন্নতির অগ্রযাত্রার চরমে পৌঁছে শেখ হাসিনা সক্ষম হয়েছেন আজকের আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।

বাংলাদেশ বিশ্বে আজ এক অপূর্ব রূপমডেল হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। অনেকদিন পর বাংলাদেশ একটি দলীয় সরকারের অধীনে সকলের অংশগ্রহণ মূলক নির্বাচন
অনুষ্ঠিত হচ্ছে। নির্বাচনে জয়লাভ করা আওয়ামীলীগের
একমাত্র উদ্দেশ্য নয়। নির্বাচন কমিশন কোনোমতেই প্রশ্নবিদ্ধ না হয় সেই লক্ষ্যে  নির্বাচন কমিশনকে সবদিক দিয়ে সহযোগিতা করে একটি বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহনযোগ্য নির্বাচন হবে বলেই আমি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি।আমি এটাও বিশ্বাস করি দেশের জনগন বর্তমান সরকারের এসব কার্যকলাপের কারনেই  বিশ্বস্থতার ভিত্তিতে আওয়ামীলীগ সরকার জয়লাভ করবে।

আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে আমাদের  নৈতিকভাবে সকলের সাধ্যমত সহযোগিতা করা উচিৎ। প্রবাস থেকে অনেকেই নির্বাচন উপলক্ষে দেশে গিয়ে নিজের এলাকাগুলোতে নির্বাচনের কাজ না করে, বিভিন্ন এলাকাগুলোতে অনর্থক  ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের দৃস্টি
আকর্ষন করার জন্য আনন্দ ভ্রমনের ছবিসহ ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিজেদেরকে একেকজন আদর্শ কর্মী হিসেবে প্রমাণ
করার চেস্টা করছেন। অথচ প্রবাসে  তাদের অনেকের রাজনৈতিক কার্যকলাপের বিন্দুমাত্র লক্ষন নেই বললেই চলে।

আমার স্ত্রীর অসুস্থতা এবং হাসপাতালে ভর্তি থাকার কারনে ইচ্ছে থাকা সত্বেও আমার এই মহতি কাজ থেকে বিরত থাকতে হয়েছে।
আমার মনে হয় না অস্ট্রেলিয়া আওয়ামীলীগ সহজে সবাইকে নিয়ে গুছিয়ে উঠতে পারবে। যতদিন পর্যন্ত না সবার দালালী মনোভাব দূর হয় অথবা অযোগ্য ব্যক্তির নেতৃত্বের লালশার অবসান হয় ততোদিন এরকম একপেশে রাজনীতির চর্চা অব্যাহত থাকবে। সেই সময় পর্যন্ত একনিষ্ঠ দায়বদ্ধতায় আবদ্ধ আদর্শবান কর্মীদের অপেক্ষায় থাকতে হবে।

গামা আব্দুল কাদির
উপদেষ্টা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অস্ট্রেলিয়া।