কিশোর আলোর বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে রেসিডেন্সিয়াল ছাত্রের বিদ্যুতায়িত হয়ে মৃত্যু

  •  
  •  
  •  
  •  
নাইমুল আবরার

প্রশান্তিকা ডেস্ক: প্রথম আলো পত্রিকার সহযোগী কিশোর আলো (কি আ) ম্যাগাজিনের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান চলাকালে বিদ্যুতায়িত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল ও কলেজের নবম শ্রেণীর ছাত্র নাইমুল আবরার। সে কি আ’র অনুষ্ঠান দেখতে এসেছিলো। অভিযোগ উঠেছে, অনুষ্ঠান চলাকালে যখন শিল্পী অর্ণব গান গাইছিলেন তখনই এই দূর্ঘটনাটি ঘটে। কিন্তু কি আ কর্তৃপক্ষ অনুষ্ঠান থামাননি। অন্যদিকে কি আ’র সম্পাদক কথাসাহিত্যিক আনিসুল হক অভিযোগটি মিথ্যা বলে তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে কিশোর আলোর অনুষ্ঠান দেখতে এসে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল কলেজের ক্লাস নাইনের ছাত্র নাইমুল আবরার বিদ্যুতায়িত হয়। ওখানেই জরুরি মেডিক্যাল ক্যাম্পে তাকে নেয়া হয়। দুজন এফসিপিএস ডাক্তার দেখেন। জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নিতে বলেন। হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আমার জীবনে এর চেয়ে মর্মান্তিক খবর আমি আর পাই নাই।”
তিনি আরও বলেন, “এখন ফেসবুকে কতগুলো প্রচারণা দেখছি। আমি আমার জানা দেখা কথাগুলো বলি। আমাকে চারটার পর জানানো হয়, একজন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছেন। তাঁকে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে। আরো খানিক পরে জানানো হয়, আহত ভদ্রলোক সম্ভবত চট্টগ্রাম থেকে আসা। অনুষ্ঠান শেষ হয় ৪টা ৪০ কি ৪টা ৪৫। পাঁচটার পর আমি জানতে পারি, আহত জন মারা গেছেন। মানে অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার ১৫/২০ মিনিট পরে মৃত্যুর খবর আমি পাই। কাজেই যারা বলছেন, নাইমুল আবরার মারা যাওয়ার খবর গোপন করে অনুষ্ঠান চালিয়ে যাওয়া হয়েছে, তারা ঠিক বলছেন না। শেষ শিল্পী অর্ণব ওঠার আগে দুর্ঘটনা সম্ভবত ঘটেনি।”

নাইমুল মেধাবী ছাত্র ছিল। ট্যালেন্ট পুলে বৃত্তি পেয়েছিল।সে ছিলো দুই ভাইয়ের কনিষ্ঠজন। বড়ভাই প্রকৌশলী, জার্মানিতে থাকেন। নাইমুল আবরারের বাবাও প্রবাসী।
গতকাল রাতেই রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের মাঠে জানাজা শেষে নাইমুলের মরদেহ গ্রামের বাড়ি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার ধন্যপুরে নিয়ে যাওয়া হয়।