বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার পথচলা শুরু

  •  
  •  
  •  
  •  

প্রশান্তিকা ডেস্ক : সিডনিতে নারীদের নিয়ে একটি নতুন সংগঠন “বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়া” তাদের পথচলা শুরু করেছে । ১৩ নভেম্বর স্থানীয় সময়  সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় সিডনির মিন্টুস্থ বি ডি হাব কমিউনিটি হলে এ উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কোভিড  সীমাবদ্ধতা বহাল থাকায়  শুধুমাত্র আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয় অনুষ্ঠানটি।

হলভর্তি অতিথি ও সংগঠনটির সদস্যদের উপস্থিতিতে সংগঠনের মিডিয়া এন্ড কালচার সেক্রেটারি আবিদা আসওয়াদ ও অর্গানাইজিং সেক্রেটারি শাহানা চৌধুরীর সাবলীল উপাস্থপনায় অনুষ্ঠান শুরু হয়।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সংগঠনের জেনারেল সেক্রেটারি শিরিন আক্তার মুন্নি। তিনি তার বক্তব্যে নতুন এই সংগঠনটির সাথে থাকার জন্য সকল নারীদের আহবান জানান ,তিনি এমন একটি প্লাটফর্মের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে বলেন প্রবাসের এই কর্মব্যস্ত জীবনে আমরা নারীরা আমাদের নিজস্ব স্বকীয়তায় আমাদের এই সংগঠনটি পরিচালনা করবো। আমরা পুরুষ বিদ্বেষী নই পুরুষরা অবশ্যই আমাদের পাশে থাকবে সহযোগী হিসাবে। তিনি আরো বলেন কোভিড সীমাবদ্ধতা বহাল থাকায় আমরা বড় ধরনের আয়োজন করতে পারি নাই এবং আরো অনেককে বলতে পারি নাই বলে আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। অদুর ভবিষ্যতে কোভিড  সীমাবদ্ধতা উঠে গেলে বড় পরিসরে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনার আয়োজন করার কথা জানান।

বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শায়লা ইসলাম তার বক্তব্যের শুরুতে কবি নজরুল ইসলামের কবিতার একটি পংক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন  বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর। এটা ঠিক কিন্তু জীবনে অন্য ক্ষেত্রে আমার মনে হয় ৮০ শতাংশ কাজ করে নারীরা। এ সংসারের আমরা বাড়ির সব কাজে আমাদেরই করতে হয়। নারীরা অবলা এ কথা আর বলা যাবেনা পুরুষদের সাথে তাল মিলিয়ে তারাও এগিয়ে চলছে। এ পথ যাত্রায় এগিয়ে এসেছে আমাদের সংগঠন। আমরা বিশ্বাস করি নারীরা যে কাজ করে সেটি খুব ভালোভাবে করে। তিনি বলেন বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়া শুধু সিডনি ভিত্তিক নারীদের সংগঠন নয় ,অস্ট্রেলিয়ার যে কোনো প্রান্ত থেকে এর সদস্য হওয়া যাবে , তিনি উল্লেখ করেন প্রতিটি স্টেট এবং টেরিটোরিতে আমাদের প্রতিনিধি থাকবে।

সংগঠনের উইমেন্স অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি নুসরাত জাহান স্মৃতি তার বক্তব্যে বলেন আমরা যারা মূল কমিটিতে আছি শুদু তাদেরই নয় সকল সদস্যদের সম অধিকার রয়েছে আমাদের সংগঠনে , আমরা একত্রে মিলেই সব কাজ করবো। সেই সাথে নারীদের বিভিন্ন  সমস্যা নিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার করেন। তিনি আরো বলেন এই প্রবাসে অনেক সংগঠন আছে তবে আমরা লেডিস ক্লাব থেকে নারীদের জন্য ব্যতিক্রমী কিছু করতে চাই , আমরা অসহায় নারীদের পাশে থাকার অঙ্গীকার করছি ,আমরা কর্মহীন নারীদের কাজ খুঁজে পেতে সহায়তা করবো , নারীদের যে কোনো সহায়তা দিতে আমরা প্রস্তুত আছি , আমরা বিশ্বাস করি যার ধর্ম তার কাছে আমরা সকলকে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস এন্ড মিডিয়া ক্লাব এর প্রেসিডেন্ট রহমত উল্লাহ ,তিনি বলেন এটা একটি সুন্দর উদ্যোগ ,তিনি আক্ষেপ করে বলেন আজ থেকে ৩০ বছর আগে আমরা যখন কোনো সংগঠন করতে উদ্যোগী হই তখন নারীদের অংশগ্রহণ ছিল নামমাত্র ,এখন নারীরা এগিয়ে এসেছে এটা একটা ভালো দিক ,নারীরা আরো এগিয়ে আসবে আরো এগিয়ে যাবে এটা আমরা আশা করি। তিনি আরো বলেন অনেক ক্ষেত্রে আমরা নারীদের সঠিক মূল্যায়ন করতে পারি নাই , বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়া নারীদের সংগঠিত করে নারীদের কল্যানে কাজ করবে এটা সত্যিকারভাবে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ , আমরা আপনাদের পাশে আছি এবং আগামীতেও থাকবো।

জন্মভূমি বেতারের সিইও ও জন্মভূমি টেলিভিশনের ডিরেক্টর সৈয়দ আকরাম উল্লাহ তার শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন আমরা আপনাদের সংগঠনের সাথে সবসময়ে থাকবো এবং একসাথে কাজ করবো , আমাদের প্রতিষ্ঠানের অনেকেই আপনাদের সংগঠনের সদস্য , আমরা চাই বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়া এই প্রবাসে একটি শক্তিশালী নারী সংগঠন হিসাবে তাদের কাজ চালিয়ে যাবে। তিনি সংসারে নারীদের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন Happy Wife Happy Life সেই সাথে তিনি আরো যোগ করেন Happy Spouse Happy House পরিশেষে তিনি লেডিস ক্লাবের সাফল্য কামনা করেন।

বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার এক্সিকিউটিভ মেম্বার ইলোরা খান সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পর পর দুটি গান পরিবেশন করেন। সে সময় উপস্থিত সুধীমন্ডলীর অনেকেই গানের সাথে সুর মেলান।
জন্মভূমি টেলিভিশনের ডিরেক্টর নিউজ নাইম আব্দুল্লাহ শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন নারীর ক্ষমতায়ন ,বৈচিত্রতা , মর্যাদা ও সম্মান লেডিস ক্লাবের এই তিন স্লোগানের মধ্যেই নিহিত রয়েছে এই ক্লাবটির ভবিষ্যত কর্মপন্থা, যদি এই স্লোগানকে সামনে রেখে তারা এগিয়ে যান তাহলে তারা নারীদের জন্য একটি আদর্শ ও একটি সুন্দর সংগঠন উপহার দিতে পারবেন। আমি জন্মভূমি টেলিভশন এর সকলের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার সকল সদস্যেদের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন এই প্রবাসের একজন জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অর্পিতা সোম তিনি তার বক্তব্যের শুরুতেই বলেন লেডিস ক্লাব নামের একটি সংগঠন এখানে হচ্ছে জেনে আমার মনে পরে গেল বাংলাদেশে লেডিস ক্লাবের কথা তিনি সেখানে তার অতীতের কিছু স্মৃতি তুলে ধরে বলেন ওই ক্লাবটিতে ছিল আমার মা খালারা আর আজ এই প্রবাসে আমি লেডিস ক্লাবের কথা জেনে খুবই আনন্দিত এবং এর সাথে জড়িত হতে পেরে ভীষণ খুশি। তিনি আরো বলেন এটা ভাবলে ভুল হবে নারীরা দুর্বল ,মা দুর্গার মতো আমাদের দশটি হাত ,আমরা নারীরা অসহায় নই ,আমাদের অসহায় ভাবা হয়। আমরা নারীরা শক্তির প্রতীক।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন বাংলা পাঠশালার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মিলি ইসলাম তিনি তার বক্তব্যে বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার সংগঠকদের ধন্যবাদ জানান এ ধরণের একটি উদ্যোগের জন্য ,যেখানে শুধু নারীদের কথা বলা হবে, নারীরাই কথা বলবেন তাদের  নিজস্ব ভাবনা তুলে ধরবে। তিনি এই সংগঠনটির সাফল্য কামনা করেন।
বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার কার্যক্রম তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত ও গঠনমূলক বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লেডিস ক্লাবের এক্সিকিউটিভ মেম্বার ডাঃ ফাহিমা সাত্তার তিনি বলেন ছোটবেলায় মা –  খালাদের দেখেছি লেডিস ক্লাবের সদস্য হতে আর এখানে আমি নিজে এমন একটা ক্লাবের সাথে জড়িত হতে পেরে গর্বিত। শুধু ক্লাব হিসাবে না আমরা আমাদের এই বাংলাদেশ লেডিস  ক্লাবকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই নারীদের কল্যানে একটি আদর্শ সংগঠন হিসাবে।
তিনি আরো বলেন আমাদের খুঁজে বের করতে হবে কোন নারীর কি সমস্যা আছে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে, আমরা নারী হিসাবে নারীদের জন্য কাজ করবো এটাই আমাদের লক্ষ্য এ ছাড়াও আমরা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের শিকার নারীদের পাশে সহায়তা হাত বাড়িয়ে দিবো তাদের পাশে থাকবো। আমাদের আগামী দিনের পরিকল্পনায় থাকবে , যে সব নারীদের চাকুরীর প্রয়োজন আমরা আমাদের সাধ্যমতো তাদের কাজ পাইয়ে দিতে সাহায্য করবো, এছাড়াও আমাদের পরিকল্পনার মধ্যে আছে যে সকল নারীরা আর্থিক সংকটে আছেন তাদের জন্য একটি তহবিল গঠন করে তাদের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবো। শুধু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার মধ্যেই আমাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ থাকবে  না আমরা নারীদের কল্যানে যা কিছু করা দরকার সব কিছুই করবো। তিনি আহ্বান জানান , যে সকল নারীদের সাহায্য সহযোগিতা দরকার তারা  কোনো সংকোচ না করে বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার সাথে যোগাযোগ করলে আমরা আমাদের সাধ্যমতো সাহায্য করবো।
শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন নারী উদ্যোক্তা ব্যবসায়ী ও বাংলাদেশ লেডিস ক্লাবের সদস্য সামিয়া আক্তার , তিনি তার বক্তব্যে এ ধরণের উদ্যোগের সাথে থাকতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছেন , তিনি নারীদের কল্যানে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

বাংলাদেশ লেডিস ক্লাবের অর্গানাইজিং সেক্রেটারি শাহানা চৌধুরী পিন পতন নীরবতায় স্বরচিত একটি কবিতা আবৃতি করে দর্শকদের বিমোহিত করেন।
বাংলাদেশ লেডিস ক্লাবের আরেক এক্সিকিউটিভ মেম্বার এই প্রবাসের জনপ্রিয় কণ্ঠ শিল্পী অমিয়া মতিন তার শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন , নারীরা পিছিয়ে আছে এই ধারণা করা ঠিক না। আমরা নারীদের কল্যানে অনেক কিছু করবো , আপনারা আমাদের সাথে থাকবেন এটা আমাদের প্রত্যাশা। উপস্থিত সুধীমন্ডলী অনুরোধে তিনি দুটি জনপ্রিয় গান গেয়ে শোনান।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে দেন ভারতের কলকাতার বাঙ্গালী শ্রেয়সী দাস , তিনি একজন জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী নাচের পাশাপাশি তিনি অনেক সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত। তিনি লেডিস ক্লাবের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন শুধু আর্থিক সহায়তা নিয়ে নারীদের পাশে দাঁড়ালে চলবে না তাদেরকে মানসিক ভাবে শক্তিশালী করে সমস্যা মোকাবেলার জন্য সাহস জোগাতে হবে। তাদের মানসিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করতে হবে, একজন নারী যদি মানসিকভাবে সাবলম্বী হয় তাহলে সে অনেক কঠিন পথ পাড়ি  দিতে আরো সাহসী হবে।
এক পর্যায়ে সকল সদস্যদের  সাথে পরিচয় করিয়ে দেন অর্গানাইজিং সেক্রেটারি শাহানা চৌধুরী।
কমিটিতে যারা আছেন তার হলেন : রাহেলা আরেফিন – প্রেসিডেন্ট , শায়লা ইসলাম – সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট , শামীমা আলমগীর – ভাইস প্রেসিডেন্ট , শিরিন আক্তার মুন্নি – জেনারেল সেক্রেটারি , তাবাসুম জলিল চৌধুরী  – ট্রেজারার , আবিদা আস্বাদ – মিডিয়া এন্ড কালচারাল সেক্রেটারি , শাহানা চৌধুরী – অর্গানাইজিং সেক্রেটারি , নুসরাত জাহান স্মৃতি – উইমেন্স অ্যাফেয়ার্স সেক্রেটারি , কানিতা আহমেদ – ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সেক্রেটারি ,  নায়লা রহমান – পাবলিকেশন সেক্রেটারি , এ ছাড়াও পরিচয় করিয়ে দেন এক্সিকিউটিভ মেম্বারদের সাথে , যাদের মধ্যে রয়েছেন , ডাঃ ফাহিমা সাত্তার , ফারজানা আহমেদ  , সাবরিনা হোসাইন , মাহিরা পারভীন , সঞ্চিতা মতিন  , ইলোরা খান , নাজনীন খন্দকার  , অমিয়া মতিন  , সারিনা শারমিন , তাহসিন আক্তার ও কামরুন নাহার  প্রমুখ।
বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার ট্রেজারার তাবাসুম জলিল চৌধুরী তিনি বলেন আমরা আমাদের এই ক্লাবের মাধ্যমে আমাদের সমাজের নারীদের কল্যাণের জন্য কাজ করবো। আমরা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এর শিকার নারীদের সহায়তা দিবো। তাদের আইনগত অধিকার তুলে ধরতে প্রয়োজনে আইনে ব্যবস্থা পেতে সহায়তা করবো। আমরা নারীদের প্রয়োজেনের মুহূর্তে তারা চাইলে পাশে দাঁড়াবো। কেউ যদি আমাদের কাছে সাহায্য চায় আমরা তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিবো। আমরা আমাদের এই ক্লাবের সদস্য বাড়াতে পরিচিত জনদের সদস্য করতে সচেষ্ট থাকবো। এ ছাড়াও যে সকল নারীদের কাজের প্রয়োজন আমরা তাদের কাজ খুঁজে পেতে সহায়তা করবো।
সবশেষে বাংলাদেশ লেডিস ক্লাবে অস্ট্রেলিয়ার  প্রেসিডেন্ট রাহেলা আরেফিন বলেন সম্মানিত সুধী মন্ডলী ,আজকের এই সুন্দর সন্ধ্যায় আপনাদের উপস্থিতি আমাদের বিশেষ ভাবে আনুপ্রানিত ও আনন্দিত করেছে। আপনাদের সকলকে এখানে আসার জন্য আমি আমার পক্ষ থেকে ও বাংলাদেশ লেডিস ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার সকল সদস্যদের পক্ষ থেকে আরেক বার ধন্যবাদ জানাই।
কোভিড পরবর্তী এই পরিস্থিতিতে আপনারা সকলে নিশ্চয় ভালো আছেন। আজকে আমাদের এই অনুষ্ঠানটি ক্ষুদ্র পরিসরে করার  কারণে আমাদের ইচ্ছা  থাকা সাথেও অনেককে বলতে পারিনাই। মূলত আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আমরা আত্মপ্রকাশ করার ঘোষণা দিচ্ছি।
আমরা সাংবাদিক ভাইদের অনুরোধ  করবো আমাদের কথা গুলো আপনাদের লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরবেন এবং আমাদের এই পথচলায় আমাদের সমর্থন করবেন।
আমাদের এই সংগঠনটি সম্পূর্ণভাবে নারীদের জন্য। আমরা কোনো রাজনৈতিক দলের সাথে সংযুক্ত থাকবো না । মূলতঃ আমরা নারীর ক্ষমতায়ন নারীর মর্যাদা নিয়ে কাজ করবো। নারীর ক্ষমতায়নের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সংযুক্ত – মৌলিক মানবাধিকার যা আরও শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ বিশ্ব অর্জনের চাবিকাঠি। বিভিন্ন সামাজিক এবং জাতিগত পটভূমির নারীদের  অন্তর্ভুক্ত বা জড়িত করার অনুশীলন থাকবে আমাদের।
আমরা সকলকে নিয়ে শুরু করতে চাই আমাদের এই পথচলা আপনারা আমাদের সঙ্গে থাকবেন এই প্রত্যাশা করি। আমরা আমাদের বিস্তারিত কার্যক্রম পরবর্তীতে আপনাদের সামনে  তুলে ধরবো। আপনাদের সকলকে আরো একবার এখানে আসার জন্য ধন্যবাদ।
তিনি ধন্যবাদ জানান তাদেরকে যারা এই অনুষ্ঠানটি স্বার্থক ভাবে করার জন্য সহায়তা করেছেন , তিনি বলেন যারা আজকের এই অনুষ্ঠানটি স্পনসর করেছেন তাদের ধন্যবাদ জানাই এবং আগামীতে আপনার আমাদের সাথে থাকবেন এই প্রত্যাশা করি। তিনি বিডি হাবের প্রেসিডেন্ট আবুল সরকার ও জেনারেল সেক্রেটারী আব্দুল খান রতন কে ধন্যবাদ জানান তাদের হলটি ব্যবহারের সুযোগ দেয়ার জন্য। তিনি বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেন , রেজা আরেফিন , সাখাওয়াত হোসেন বাবু , কাজী আলম রুবেল , আসওয়াদুল হক বাবুর নাম। যারা এই অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক সাহায্য করেছেন।
প্রেসিডেন্টের বক্তব্যের পর উপস্থিত প্রায় সহস্রাধিক নারীদের নিয়ে কেক কেটে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করে  সকলকে নৈশভোজে আপ্যায়িত করা হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments