বিএনপি জোটে শেষ মুহূর্তে ডজন প্রার্থী পরিবর্তন

169

বিএনপি, ২০ দল ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে শেষ মূহূর্তে এক ডজন প্রার্থিতায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। দলের ভিতরে-বাইরে ক্ষোভ, জোট ও ফ্রন্টের নানা সমীকরণে শেষ মুহূর্তে এসে এসব প্রার্থী বদলের সিদ্ধান্ত নেয় দলটি। এ নিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী ও নির্বাচন কমিশনে প্রার্থী পরিবর্তনের চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়। ময়মনসিংহ-৩ আসনে প্রথমে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা দেওয়া হয় আহমেদ তায়েবুর রহমান হিরণকে। পরে তা পরিবর্তন করে দেওয়া হয় ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেনকে। নড়াইল-১ আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে প্রথমে প্রার্থী ঘোষণা করা হয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেনকে। পরে শেষ মুহূর্তে এসে জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলমকে দলীয় প্রার্থী ঘোষণা দেয় দলটি। ময়মনসিংহ-৭ আসনে প্রথমে প্রার্থী দেওয়া হয় জয়নাল আবেদীনকে। পরে তা পরিবর্তন করে শেষ মুহূর্তে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেওয়া হয় ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনকে। মানিকগঞ্জ-১ আসনে প্রথমে প্রার্থী দেওয়া হয় এস এম জিন্নাহ কবীরকে। পরে প্রার্থী বদল করে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া হয় বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আকবর হামিদ ডাবলুকে। এরপর আবারও প্রার্থিতায় পরিবর্তন এনে সর্বশেষ চিঠি দেওয়া হয় জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম জিন্নাহ কবীরকেই। সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে প্রথমে বিএনপির প্রার্থী করা হয় কামরুদ্দিন ইয়াহিয়া খান মজলিশকে। পরে সেখানে প্রার্থী বদল করে চিঠি দেওয়া হয় ড. এম এ মুহিতকে। রংপুর-৫ আসনে প্রথমে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হয় মুফাখখারুল ইসলামকে। পরে সেখানে প্রার্থী বদল করে জামায়াতে গোলাম রাব্বানীর হাতে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেওয়া হয়। রাজশাহী-৫ আসনে প্রথমে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা করা হয় নূরুল ইসলামকে। পরে তা পরিবর্তন করে নাদিম মোস্তফাকেই প্রার্থী ঘোষণা দেওয়া হয়। গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রথমে প্রার্থী করা হয় আফজাল হোসেনকে। শেষ মুহূর্তে এসে ওই আসনে প্রার্থী করা হয় এস এম জ্বিলানীকে। নওগাঁ-১ আসনে প্রথমে বিএনপির প্রার্থী করা হয় মোস্তাফিজুর রহমানকে। শেষ মুহূর্তে এসে সেখানে প্রার্থী বদল করে দেওয়া হয় ছালেক চৌধুরীকে। শেরপুর-২ আসনে প্রথমে প্রার্থী ঘোষণা দেওয়া হয় কে এম মুখলেসুর রহমানকে। পরে বিএনপি সেখানে প্রার্থী বদল করে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেয় সাবেক হুইপ মরহুম জাহেদ চৌধুরীর ছেলে ফাহিম চৌধুরীকে। নাটোর-১ আসনে প্রথমে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা করা হয় সাবেক ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের স্ত্রী কামরুন্নাহারকে। পরে সেখানে প্রার্থী বদল করে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের মনজুরুল ইসলামকে ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেয় বিএনপি। চট্টগ্রাম-৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয় কুতুবদ্দিন বাহারকে। শেষ মুহূর্তে এসে সেখানে প্রার্থী বদল করা হয়। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি—এলডিপির নূরুল আলমকে শেষ বেলায় ধানের শীষ প্রতীক তুলে দেয় বিএনপি।