মেকআপের যেসব ভুল বয়সের ছাপ বাড়ায়

  •  
  •  
  •  
  •  
 

নিজেকে সুন্দর দেখাতে মেকআপের বিকল্প নেই। কিন্তু মেকআপ করতে গিয়ে কিছু ছোটখাটো ভুল ত্বকে আনে বার্ধক্যের ছাপ। জানুন সেই ভুলগুলো…

♦  ব্লাশঅন ব্যবহারে অনেকেই ভুল পদ্ধতি ব্যবহার করে ফেলেন। অনেকেই গম্ভীর মুখে ব্লাশঅন ব্যবহার করেন। ফলত মেকআপও হয়ে পড়ে ম্লান। কিন্তু আসল পদ্ধতিটি হলো, ব্লাশ সবসময় হাসি মুখে থাকা। অন্যথায় চেহারা ইমোশনলেস মনে হয় এবং আপনার চেহারায় বয়সের ছাপ দেখা দেয়। তাই গাল কিংবা কপালে ব্লাশ ব্যবহার করার সময় অবশ্যই মুখে হাসি রাখুন।

♦  ফেসে বাড়তি জেল্লা আনার জন্য আমরা শিমার ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু শিমার ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতিটা আমাদের অনেকেরই অজানা। শিমার কখনোই গোটা মুখে ব্যবহার করবেন না। শুধু চোখের পাতায় ও গালে ব্যবহার করলেই যথেষ্ট। পুরো মুখে ব্যবহারে চেহারা খুব বেশি গ্লসি মনে হয়।

♦  মুখে কমপ্যাক্ট বা পাউডার ব্যবহার করার সময় খুব সাবধান থাকা দরকার। মুখে কখনোই অতিরিক্ত পাউডার ব্যবহার করবেন না। এতে মেকআপের ন্যাচারাল ভাবখানা থাকে না।

♦  মেকআপের শেষে চোখের মেকআপ করা উচিত। দুশ্চিন্তা, অনিদ্রা ইত্যাদির ফলে চোখের তলায় কালি পড়া এখন নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। তাই চোখের তলার কালি যাতে দেখা না যায় তার জন্য কনসিলার অবশ্যই ব্যবহার করা উচিত। তবে মেকআপের একেবারে শেষে এটি ব্যবহার করতে হয়।

♦  বয়স অনুযায়ী লিপস্টিকের রং বাছাই করা উচিত। অনেকেই আছেন শুধু ম্যাট ফিনিশ লিপস্টিক ব্যবহার করেন। কিন্তু তা মোটেই আকর্ষণীয় করে তোলে না। বরং ম্যাট ফিনিশ লিপস্টিকের ওপর লিপগ্লস ব্যবহার করলে তা আপনাকে অনেক বেশি আকর্ষণীয় করে তুলবে।

♦  লিপস্টিক কখনোই শুধু ব্যবহার করা উচিত নয়। তাতে তা খুব তাড়াতাড়ি মুছে যেতে পারে। তাই লিপস্টিক ব্যবহার করার সময় আগে লিপলাইনার ব্যবহার করে তারপর লিপস্টিক ব্যবহার করলে তা অনেক বেশি স্থায়ী হয়।