যেভাবে আপনার সন্তান একজন ধর্ষক হয়ে উঠে । খন্দকার এনামুল হক

  •  
  •  
  •  
  •  

 172 views

১.
আপনার শিক্ষিত সন্তানটি একদিন ধর্ষক হবে না, এটা কি আপনি নিশ্চিত করে বলতে পারছেন? না পারছেন না। এ ক্ষেত্রে আপনার সন্তানের বেড়ে উঠায়, একজন বাবা হিসেবে, আপনি আপনার পরিবারে নারীদের প্রতি কতটুকু শ্রদ্ধাশীল এই বিষয়টা তার ভিতর একটা দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে। আপনার ব্যবহারেই আপনার সন্তানটি নারীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শিখবে কিংবা নারী বিদ্বেষী হয়ে উঠবে।

‘নারীর অধিকার’, শুধুই কি আপনার সমাজ দেখানো বুলি? বন্ধুমহলে সবার সাথে আপনিও তাল মিলিয়ে বলছেন, নারীর অধিকার বাস্তবায়নের কথা। আর বাড়ি ফিরে, পর পর দুবার কলিংবেল বাজালেন, কিন্তু স্ত্রী দরজা খুললো না। তৃতীবার কলিংবেল বাজার পর দরজা খুললো। ঘরে ঢুকেই স্ত্রীকে জেরা করা শুরু করলেন, ‘‘দরজা খুলতে এত দেরি হলো, কেন? কি করে সে সারাদিন? সারাদিন কি ঘুমায়?’

অতঃপর চেয়ারে গা এলিয়ে বসে পা বাড়িয়ে দিচ্ছেন স্ত্রীর দিকে পায়ের জুতা-মোজা খুলে দেয়ার জন্য। আপনার জন্য একগ্লাস ঠান্ডা শরবত কেন বানিয়ে রাখেন নি, তাই নিয়ে চেচামেচি শুরু করেছেন? স্ত্রীকে তার পরিবার নিয়ে খোটা দিচ্ছেন। আপনার সন্তান প্রতক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে তা দেখছে, এবং তার মস্তিষ্কে বিষয়টা ঢুকে যাচ্ছে যে, ‘‘একজন নারী, তার স্বামী আসার আগে, তার জন্য সকল আয়োজন করে রাখবে। স্বামী ঘরে ঢুকলে, স্বামীর জুতা-মোজা খুলে দিবে’’। একজন নারীকে পন্য হিসেবে ব্যবহার করছেন, বিষয়টা আপনার সন্তান আপনার পরিবার থেকেই শিখছে। যা হয়তো আপনি নিজেও আপনার বাবা-দাদাদের কাছ থেকে দেখে শিখেছেন।

কিছু পরিবারে পূর্বপুরুষের ধারা এখনও বর্তমান রয়েছে। বাড়ির পুরুষরা আগে খাওয়া দাওয়া করবেন। তারপর স্ত্রী কন্যারা খাবেন। কোন পরিবারে আবার স্বামীর মুখের উপর কথা বলা জঘন্যতম পাপ, হিসেবে বিবেচনা করা হয়। স্বামী ভুল বলছেন, কিংবা মিথ্যা বলছেন, স্ত্রী সেটা জানার পরও স্বামীকে বলতে পারবে না, স্ত্রী হিসেবে তা মুখ বুঝে মেনে নেবে।
সমাজে মধ্যবিত্ত নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে, একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত সন্তানরা বাবা-মা’র সাথেই রাতে ঘুমায়। সন্তানকে নিয়ে একসাথে শুয়েছেন। অপেক্ষা করছেন কখন সন্তান ঘুমাবে। অতঃপর আপনি আপনার জৈবিক চাহিদা মেটাবেন। অনেক সময় সন্তানকে বকাঝকা করছেন, জোর করছেন তার অনিচ্ছা স্বত্তেও ঘুমাতে। আপনার ভয়ে আপনার সন্তানটি না ঘুমিয়ে চোখ বন্ধ করে ঘুমানোর ভান করে ওপাশ হয় শুয়ে রইলো।

অতঃপর আপনি আপনার স্ত্রীকে ডাকলেন, আপনার স্ত্রী বললো তার আজ ইচ্ছে করছে না, তার শরীরটা ভালো না। আপনি তার কথায় কোন রকম কর্নপাত না করেই স্ত্রীর ‘সম্মতি’ ছাড়াই তার সাথে যৌনক্রিয়ায় মেতে উঠলেন। হয়তো আপনি নিজেও জানেন, কোন নারীর সম্মতি ছাড়া তার সাথে যৌনক্রিয়া করা ধর্ষন এর অন্তভুক্ত তা সে নিজের স্ত্রী হলেও। কিন্তু কিসের নিয়মকানুন। আপনার স্ত্রীতো আপনার বিয়ে করা বউ, তার সম্মতির ধার ধারেন না আপনি। কারণ আপনি নিজেও হয়তো এধরণের পরিবারে বড় হয়েছেন, যেখানে নারীর অধিকার বলে কিছু ছিলো না।
অতঃপর যৌনক্রিয়ার এক পর্যায়ে আপনার স্ত্রীর শারীরিক অসুস্থ্যতার জন্য আপনাকে বলেই ফেললো, ‘‘তার, ব্যাথা লাগছে’’। হ্যা আপনার জেগে থাকা সন্তানটা যে ঘুমের ভান করে চোখ বন্ধ করে ছিলো, তার কানেও কিন্তু কথাটা ঢুকলো এবং সে এটাও বুঝতে পারলো, ব্যাথা লাগা স্বত্তেও আপনি আপনার স্ত্রীর কথার কোন মূল্য দেন নি। আপনি আপনার স্ত্রীর সাথে কি কাজ করছেন, সে হয়তো বুঝতে পারেনি। কিন্তু আপনার আচরণগুলো তার মস্তিষ্কে ঠিকই স্থান করে নিয়েছে।

আপনার সন্তান যখন বড় হবে, যখন সে যৌনক্রিয়ার বিষয় জানতে পারবে, তখন কিন্তু তার স্মৃতিতে আপনার সেই রাতের যৌনক্রিয়ার কথাগুলো ভেসে আসবে। এবং তার মস্তিষ্কে এটাও ঢুকে যাবে, যৌনক্রিয়ায় কোন নারীর ‘সম্মতি’ বলে কিছু নেই। কারণ আপনি নিজেও স্ত্রীর শারীরিক অসুস্থ্যতার কথা জানার পরও আপনার চাহিদাকে নিয়ন্ত্রন করতে পারেন নি।

এক্ষেত্রে আপনি নিজেই আপনার সন্তানকে একজন ধর্ষক বানিয়ে দিলেন। কারণ সে তার উঠতি বয়সী যৌনক্ষুদাকে নিয়ন্ত্রন করতে না পেরে, তার কোন সহপাঠি, বাসায় কাজ করা ছোট গৃহকর্মী, সমবয়সী কোন কাজিনকে জোরপূর্বক যৌনক্রিয়া করতে বাধ্য করবে এভাবেই হবে শুরুটা…

২.
কোন কোন পরিবারে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতার জন্য কিংবা নিজের শিক্ষাটা কাজে লাগানোর জন্য অনেক বিবাহিত নারী চাকুরী করে। নারীর চাকুরী করাটা এখানে মোটেও আপত্তিকর কিছু না। চাকুরী করার অধিকার তার আছে। এই পরিবারগুলোতে একটা বড় সমস্যা হয়ে যায়, সন্তান লালন পালন। সেক্ষেত্রে গৃহকর্মীর উপর ভরসা করতে হয়। মনে রাখবেন, আপনার গৃহকর্মীর কাছে আপনার সন্তানের আদর-স্নেহের চাহিদাটা মিটবে না। অনেক গৃহকর্মী রয়েছে, আপনি বাসা থেকে বের হওয়ার পরই সে টিভি নিয়ে বসবে, সারাদিন টিভি দেখবে। সেক্ষত্রে আপনার সন্তানটি তার কাছে কিছু আবদার করলে, সময় মতো পাবে না। তার ভিতর ক্ষুব্ধ আচরণ তৈরি হতে থাকবে। সন্তান যদি একটু বড় হয়, সেক্ষেত্রে একজন গৃহকর্মীর আচরণ থেকে নারী বিদ্বেষী একটা বোধ তার ভিতর জন্ম নিবে। এভাবে ভবিষ্যতে সে বড় হয়ে নারীর সম্মানের জায়গাটা পুরোপুরি দিতে পারবে না। অনেক গৃহকর্মী থাকে তারা এই সন্তানগুলোর উপর অনেক মানসিক এবং শাররীকি নির্যাতন করে থাকে। এই নির্যাতনের ভুক্তভোগী সন্তানগুলোর ভিতর নারীদের প্রতি একটা ঘৃণা জন্মে উঠে।
শুধু গৃহকর্মীই নয়। অনেক পরিবারের সন্তান বড় হয়, তার খালা, কিংবা ফুপুর কাছে। সেক্ষেত্রে তার এই খালা কিংবা ফুপু যদি কম বয়সী হয়ে থাকে, তাহলে আপনার সন্তানকে সে প্রকৃতভাবে ভালোবেসে লালন-পালন করতে পারবে না। এক্ষেত্রে একই ব্যাপারগুলো ঘটবে।

ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এই নারী বিদ্বেশী মনোভাব একদিন বড় হয়ে তার মস্তিষ্কে অদ্ভুদ আচরণের জন্ম দিবে। আপনার সন্তান চাইবে নারীদের অপমান করতে। কোন নারীর প্রতি তার মনের গভীর থেকে সম্মানটা আসবে না। কারণ সে ছোট বয়সে নারীর নির্যাতন সহ্য করে বড় হয়েছে। এক্ষেত্রে যেকোন নারীকে শাস্তি দেয়া কিংবা কোন নারীর কষ্ট পাওয়া তাকে আনন্দ দিবে। তার প্রতিশোধমূলক ভাবনাগুলো পাখা মেলবে।

৩.
টিএনজ সন্তানের ব্যাপারে আপনি কতটুকু দায়িত্বশীল বাবা-মার ভূমিকা রাখছেন?
যখন আপনার সন্তানটি টিএনজে পা রাখবে, তখন সে রঙিন দুনিয়ায় পাখা মিলে উড়তে চাইবে। অজানাকে জানার জন্য তার মন ব্যকুল থাকবে। এক্ষেত্রে আমরা বাবা-মারা অনেক ভুল করে ফেলি। সন্তানের এই হঠাৎ বেড়ে উঠা এবং একটু বয়স্ক কথাবার্তা আমাদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এক্ষেত্রে বাবা-মার উচিত হবে সন্তানকে প্রতিটি বিষয়ে ভালো করে বুঝিয়ে দেয়া। এসময়ে অনেক ছেলে-মেয়ে বন্ধু-বান্ধবের কাছে ভুল যৌনশিক্ষা পেয়ে থাকে যা তাদের জন্য পরবর্তীতে কঠিন সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

অনেক বাবা-মা সন্তানদের টিনএজ বয়সে তাদের হাতে বাজারে সেরা স্মাটফোনটি তুলে দেন। অনেকে সন্তানের বেড়ে উঠার সুবিধার্থে কম্পিউটার ল্যাপটপ কিনে দেন এবং সেই কম্পিউটার ও ল্যাপটপ সন্তান কোন খাতে ব্যবহার করছে তা খেয়াল পর্যন্ত রাখেন না। সে যে বয়সটা পার করছে, সেটা এমনই একটা বয়স, যে কোনটা ভুল আর কোনটা সঠিক সে সিদ্ধান্ত নেয়ার মতো যথেষ্ঠ বিবেক-বুদ্ধি তার ভিতর বেড়ে উঠেনি তখনও।

আপনি তো ভাবছেন আপনার সন্তানটি ছোট। কিছুই বুঝে না। কিন্তু ইতোমধ্যে তার ভিতর বিভিন্ন যৌন ফ্যান্টাসি কাজ করা শুরু করেছে। বাবা-মার অজান্তে সন্তানটি রাতে পর্ণো দেখছে। আর এই পর্ণো সাইটগুলোতে কিছু বিষয় ভিত্তিক পর্ণো থাকে যা আপনার সন্তানটিকে মনের অজান্তেই একজন ধর্ষক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দিচ্ছে। আমরা সবাই জানি, পর্ণো মুভিগুলো দর্শকদের ফ্যান্টাসি দেয়ার জন্য বিভিন্ন রকম যৌন্ কৌশল ব্যবহার করে, যা বাস্তবে কখনও সম্ভব না। এখন ‘যা বাস্তবে কখনও সম্ভব না’ এটা আপনার সন্তানকে কেউ বুঝাবে?

আর যদি সন্তানটি অতিমাত্রায় নিষিদ্ধ ক্যাটাগরির পর্ণো দেখে তাহলে সে নিশ্চিতভাবে বিভিন্ন বিকৃত যৌনস্বভাবে আক্রান্ত হবে। এমনকি একজন ধর্ষকরূপে নিজেকে আবিষ্কার করতে চাইবে। নারীকে যৌনকষ্ট দিয়ে সে আনন্দপাবে।

অনেক পরিবারে মুরব্বী কিংবা বড়রা বিভিন্ন কৌশলে টিএনজ সন্তানটাকে বুঝিয়ে দেয়, মাস্টারবেশন কিংবা হস্তমৈথুন করা খারাপ। এতে শরীরের অনেক সমস্যা হয়। অথচ আমরা ভুলে যাই, একজন মানুষ হিসেবে তার যৌন চাহিদা থাকবেই। আর এই বয়সে তো তা লাগাম ছাড়া। তাহলে কেন তার যৌন চাহিদা মেটানোর সাময়িক পন্থাটাকে আমরা খারাপ দৃষ্টিতে দেখছি? মাস্টারবেশন কিংবা হস্তমৈথুন এর সুনির্দিষ্ট নিয়ম কিংবা মাত্রা সমন্ধে না বলে, তার ভিতর ভুল ধারণা ঢুকিয়ে দিচ্ছি? অথচ গবেষণায় বলে, একজন ছেলে কিংবা মেয়ে শারীরিক উত্তেজনা অনুভব করলে, এবং তা মাত্রা ছাড়িয়ে গেলে, সেক্ষেত্রে মাস্টারবেশন তাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য যৌন ফ্যান্টাসি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
টিএনএজ বয়সে অনেক ছেলে-মেয়ে সাময়িক মোহে ডুবে বিভিন্ন প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। ক্ষনস্থায়ী এই প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর, অনেকেই জিদের বর্ষবর্তী হয়ে সেই মেয়ে কিংবা ছেলের ক্ষতি করার জন্য অনেক ভয়ঙ্কর পন্থা বেছে নেয়। অনেকে ধর্ষনকে শেষ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে।

৪.
আমরা বাবা-মা’রা আরো একটা বড় ভুল করে থাকি যখন সন্তানদের চাওয়া মাত্র মাত্রারিক্ত হাত খরচ তার হাতে তুলে দেই। অথচ একটিবারও খোঁজ নেই না টাকাটা সে কোন খাতে ব্যবহার করছে। এইক্ষেত্রে আপনার সন্তানটি বন্ধু-বান্ধবের পাল্লায় পড়ে শখের বসে বিভিন্ন নিত্য-নতুন মাদকের স্বাদ নিতে যেয়ে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে।

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ওয়েব সিরিজ এবং মুভিগুলোতে এলএসডি, কোকেন, ক্যানবিজ, ইয়াবা গ্রহণের দৃশ্যগুলো এমনভাবে উপস্থাপন করছে, যেন এগুলো ছাড়া স্মার্টই হওয়া যায় না। পরিচালকগণ ‘‘মাদক গ্রহন মৃত্যুর কারন’’ ছোট করে লিখে নিজেদের দায় পার করছে। নাম প্রকাশ করছি না। একটা মুভিতে সেদিন দেখলাম, এক উঠতি তরুন, এলএসডি গ্রহন করে বিভিন্ন জটিল জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধান করছে। এতে করে আপনার অবুঝ সন্তানও ধারণা করে নিচ্ছে এই মাদক গ্রহন করলে, সে পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করবে।

এমনকি অ্যাপেলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস এর বায়োপিক মুভিতে দেখানো হলো স্টিভ জবস এর এত নিত্য নতুন আবিষ্কারের পেছনে একসময় তার এলএসডি মাদক গ্রহণের ভূমিকা আছে। মুভির পরিচালক কি তাহলে তরুন সমাজকে এলএসডি গ্রহন করতে ইচ্ছুক করছে?

এখন বলতে পারেন সিনেমার পরিচালক তো মাদক গ্রহন করে ধষর্ণের কথা বলেনি। তাহলে ধর্ষণ এর সাথে মাদকের কি সম্পর্ক?

হ্যা তাহলে শুনুন। আধুনিক প্রায় সব মাদকই সাময়িকভাবে তীব্র যৌনাকাঙ্খা সৃষ্টি করে। যা নিয়ন্ত্রণ করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। কিন্তু যারা মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ছে তারা নিজেরাই জানে না, এসব মাদক একটা নির্দিষ্ট সময় পর পুরোপুরিভাবে যৌন চাহিদা ধ্বংস করে দেয়। এধরনের মাদক গ্রহণের ফলে, মস্তিষ্কে ব্যাপক পরিবর্তন হতে থাকে। সে কোনটা ভালো, কোনটা মন্দ তা বিচার করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। আবেগ নিয়ন্ত্রন তার হাতে থাকে না। অতঃপর এই সাময়িক তীব্র যৌনাকাঙ্খা মেটানোর জন্য হিতাহিত জ্ঞানভুলে ধর্ষনের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ে।

সামাজের ধনী-দরিদ্র বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের কাছে ইয়াবার ব্যাপক ব্যবহার বেড়েছে। এই ইয়াবা গ্রহণের ফলে নিজের যৌন চাহিদা মেটানোর জন্য ধর্ষনের মতো বিকৃত যৌনচারের পথকে বেছে নিচ্ছে।

উপরের আলোচনায় একজন শিক্ষিত পরিবারে কিভাবে একটা সন্তান ধর্ষকের কালিমা গায়ে মাখে সেটাই তুলে ধরা হয়েছে। কোন বাবা-মার কন্যা সন্তান, কারো বোন কিংবা স্ত্রী যেন ধর্ষওেনর স্বীকার না হয়, তারজন্য কি ব্যবস্থা গ্রহন করবেন তা একজন বাবা-মা হয়ে আপনারই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এখনও সময় আছে সন্তানটি সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে মানুষ রূপে বেড়ে উঠতে সহায়তা করুন।

খন্দকার এনামুল হক
ভিজুয়্যাল ডিজাইনার ও লেখক
ঢাকা, বাংলাদেশ।

0 0 vote
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments