সিডনির সুপারমার্কেটে টয়লেট টিস্যু রোলস্ নিয়ে মারামারি, মামলা

  •  
  •  
  •  
  •  

 264 views

প্রশান্তিকা ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়ার প্রধান সুপারমার্কেট গুলোতে টয়লেট রোলস্ সংকট চলছে। করোনা ভাইরাসের আতংকে মানুষ যেসব পণ্য সামগ্রী স্টক করছে তারমধ্যে টয়লেট রোলস্, হ্যান্ড টাওয়েল, স্যানিটাইজার অন্যতম।মানুষের ধারনা খুব শিগগির পুরো দেশে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়বে এবং তাদেরকে ঘরবন্দী থাকতে হবে। তখন টয়েলেট রোলস্ এবং নিত্য ব্যবহার্য সামগ্রী এখনই সংগ্রহ করতে হবে। টয়লেট রোলস নিয়ে মারামারি হয়েছে সিডনির একটি সুপারমার্কেটে। কর্তৃপক্ষ পুলিশ ডাকতে বাধ্য হয় এবং অভিযুক্তদের পুলিশ স্টেশনে নিয়ে যাওয়া হয়।

সুপারমার্কেট আলদী, উলওয়ার্থস, কোলস্, আইজিএ, ফ্রাংকলিন্স সরেজমিনে ঘুরে দেখে জানা যায় নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর শেলফ ফাঁকা রয়েছে। প্রতিদিন ভোরে টয়লেট রোলস সহ অন্যান্য সামগ্রী শেল্ফে যাওয়ার আগেই ক্রেতারা প্যালেট থেকে নি:শেষ করে ফেলছে। ফলে সারাদিন শেলফগুলো ফাঁকা পড়ে থাকছে।

টয়লেট রোলস নিয়ে মারামারির দৃশ্য

গতকাল শনিবার সকালে সিডনির চুলোরা উলওয়ার্থসে দুই মহিলা ট্রলি ভর্তি করে টয়লেট রোলস সংগ্রহ করে। অন্য এক মহিলা সেখান থেকে এক প্যাকেট চাইলে তাকে আঘাত করা হয়। প্রায় মিনিট খানেক তাদের মধ্যে মারামারি চলে। এসময় উলিসের স্টাফ মধ্যাস্ততা করে এবং পুলিশ ডাকে। এ নিয়ে একটি মামলা হয়েছে। ২৩ ও ৬০ বছর বয়সী আক্রমনকারী দুই মহিলাকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। তাদেরকে আগামী মাসে ব্যাংকসটাউন কোর্টে হাজিরা দিতে হবে। তাদের এই মারামারির ভিডিও ফুটেজ বিভিন্ন মিডিয়া এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, মারামারি থামার পরেও ৪৯ বছর বয়সী আক্রান্ত মহিলা অনুনয় করে বলেন, ‘আই জাস্ট ওয়ান্ট ওয়ান প্যাক’। তিনি অভিযোগ করেন, তাকে বেদম প্রহার করা হয়েছে। উলওয়ার্থস’র সিইও ব্রাড বেন্ডাচি বলেন, সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য টয়লেট রোল, হ্যান্ড স্যানিটাইজার সহ অন্যান্য নিত্য সামগ্রী প্রতি গ্রাহক প্রতি একটা করে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আতংকের কিছু নেই। যথেস্ট স্টক রয়েছে।

উলওয়ার্থস’র বিশাল এই স্থানে টয়লেট রোলস রাখা থাকে। প্রায় সপ্তাহ খানেক ধরে শেলফগুলো ফাঁকা রয়েছে। ছবিটি আজ গ্লেনকয়ার শপিং সেন্টারের উলওয়ার্থস শপিং মল থেকে তোলা হয়েছে।

ভয়াবহ করোনা ভাইরাস প্রায় ৭৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। চীনসহ সারা বিশ্বে ৯৫ হাজার মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। চীনের বাইরে সাউথ কোরিয়া, ইতালী, ইরানে আক্রান্তের খবর বেশী আসছে।
অস্ট্রেলিয়ায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪১ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনে মৃত্যু হয়েছে।

0 0 votes
Article Rating
Subscribe
Notify of
guest
0 Comments
Inline Feedbacks
View all comments